Skip to main content

Posts

মনে রাখা দরকার সূক্ষ্ম সনাতন মতুয়া ধর্মের সাথে সনাতন হিন্দু ধর্মের কিছু শব্দসাদৃশ্য আছে মাত্র কিন্তু মর্মার্থে হুবহু এক নয়।

  শ্রীশ্রী গোপালচাঁদ চরিত্র সুধা। রচয়িতা-  শ্রী শ্রীকান্ত ঠাকুর সম্পাদক- ডাঃ সুধাংশু শেখর মালাকার       প্রকাশক / সম্পাদকের বিনীত নিবেদন -থেকে কিছু অংশ তুলে দিলাম।         মতুয়া ধর্মে ব্যবহৃত কিছু কিছু শব্দের সাথে সনাতন হিন্দু ধর্মীয় শব্দের সাদৃশ্য দেখা যায়। কিন্তু মতুয়া ধর্মে সে সব শব্দের মর্মার্থ আলাদা। যেমন ঈশ্বর , হরি , অবতার , ব্ৰহ্ম , ব্ৰহ্মা , প্রজাপতি , দক্ষ , মহেশ্বর , শিব , হরিবল , হরিবোল , গণেশ , দুর্গা , লক্ষ্মী , ক্ষীরোদশায়ী , জন্মান্তর , পরলোক , বিষ্ণু , মহাবিষ্ণু , নন্দ , বারুণী , রথ , রাস , গঙ্গা , কালী , সরস্বতী , দেব , দেবতা , দেবী , যজ্ঞ , কলি , পাগল , গুরু , উপদেষ্টা , ধরা , মরা , দীক্ষা , মুনি , ঋষি , দণ্ড , অলৌকিক , বুদ্ধ , পদ্মবন , যম , ধর্ম , সনাতন , ইত্যাদি। মনে রাখা দরকার সূক্ষ্ম সনাতন মতুয়া ধর্মের সাথে সনাতন হিন্দু ধর্মের কিছু শব্দসাদৃশ্য আছে মাত্র কিন্তু মর্মার্থে হুবহু এক নয়। বাইরে থেকে দেখতে similar but not the same. এই বাহ্যিক সাদৃশ্য দেখে মতুয়া এবং অমতুয়ার মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। স...

হরি-গুরুচাঁদ ঠাকুরের আন্দোলন ও বর্তমান মতুয়া আন্দোলন- জগদীশচন্দ্র রায়

  হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আন্দোলন  ও  বর্তমান মতুয়া আন্দোলন জগদীশচন্দ্র রায়   আমার এই লেখা পড়ে   প্রথমেই আপনাদের কাছে বিতর্কিত মনে হ’তে পারে। যদিও আমার উদ্দেশ্য বিতর্ক সৃষ্টি করা নয়; আমার উপলব্ধিতে একটা চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি। তাই আজ ঘুরিয়ে নয়, সরাসরি কিছু কথা বলতে চাই। তার আগে বলতে চাই আমি বাংলার মতুয়া আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি অর্থাৎ Physically যুক্ত নই। তাই আমার ধারণা সঠিক নাও হ’তে পারে। তবে আমার সামান্য জ্ঞান অনুসারে একথা বলতে যাচ্ছি সামাজিক দায়িত্বের জন্য। সমাজে মতুয়া তথা পিছিয়ে রাখাদের প্রতি প্রতিনিয়ত অমানবিক অত্যাচার হচ্ছে বিভিন্নভাবে। তার প্রতিবাদে কিছু দিনে একটা সংগঠিত ভাব চোখে পড়ছে। পীড়িতের পাশে দাঁড়ানো ভীষণ   দরকার। তা না হ’লে আন্দোলন দানা বাধবে না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে সংগঠন কেমন হবে? নেতা কেমন হবেন? আন্দোলন কিভাবে কোন নির্দেশন ও নিয়ন্ত্রনে চলবে? যাঁরা কোনো সংগঠনের উচ্চপদে আছেন তাঁরা কি পরিকল্পিতভাবে সঙ্গের মাধ্যমে আন্দোলনকে এগিয়ে নেবেন? না কি শুধু ব্যানারের পিছনে প্রথম মুখটাই থাকবে? ব্যানারের পিছনে প্রথম মুখ থাকাটাকে আমি খারাপ বলছি না...

হরিচাঁদ ঠাকুরের পূর্বপূরুষদের কে মৈথিলী ব্রাহ্মণ বানানোর গুপ্ত ইতিহাস। লেখক - অধ্যাপক মাননীয়-সত্যরঞ্জন রায়

হরিচাঁদ ঠাকুরের পূর্বপূরুষদের কে মৈথিলী ব্রাহ্মণ বানানোর গুপ্ত ইতিহাস। এই গুপ্ত ইতিহাস উদ্ধার করেছেন – বগুলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক মাননীয়-সত্যরঞ্জন রায়।     তিনি তাঁর “আমার লেখা গল্প” বইয়ের “একটি সত্যপ্রকাশের ইতিকথা” – এই নামে এই গুপ্ত ইতিহাস তুলে ধরেছেন। গল্পটি ১৬ পাতার। মূল বইয়ের ৬৩ থেকে ৭৭ পাতায় আছে। তবে গুপ্ত   ইতিহাসে বিবরণ আছে ৭০ থেকে ৭৫ পাতায়। যে পাতাগুলো আমি সঙ্গে দিয়ে দিচ্ছি। আর পূরো গল্পের পিডিএফ লিংক দিচ্ছি। আর এই তথ্য আমাকে দিয়ে সহযোগীতা করেছে আমার ভাই/পরম বন্ধু শিক্ষক, গায়ক- পবিত্র বিশ্বাস।       এই সঠিক ইতিহাস আপনাদের সামনে তুলে ধরা ভীষণ দরকার বলে মনে করি। কারণ, মতুয়া তথা অন্যান্যদের মধ্যে এই ভ্রান্ত ধারণা বদ্ধ মূল হয়ে আছে যে, হরিচাঁদ ঠাকুরের পূর্বপূরুষ মৈথিলী ব্রাহ্মণ ছিলেন। যেটা শ্রীশ্রীহরিলীলামৃতের প্রথম সংস্করণে (বাংলা ১৩২৩ সাল আর ইংরাজি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত) নেই। দ্বিতীয় সংস্করণ থেকে বা পরবর্তী সংস্করণ থেকে এবং গুরুচাঁদ চরিতেও বংশপঞ্জিতে এই অনুপ্রবেশ সুকৌশলে করা হয়েছে। এবং এর সুকৌশলী ব্যাখ্যাও দেও...