Skip to main content

Posts

নমঃশূদ্রদের পূর্ব পরিচয়- জগদীশচন্দ্র রায়

নমঃশূদ্রদের পূর্ব পরিচয় জগদীশচন্দ্র রায় (মুম্বাই) roy.1472@gmail.com M. No. 09969368536     1881 সালে দত্তডাঙার ঈশ্বর গাইনের বাড়িতে শ্রদ্ধানুষ্ঠান উপলক্ষে বহু দূর-দূরান্ত থেকে যে অসংখ্য জ্ঞানী-গূণীজন আসেন, তাদের উপস্থিতিতে গুরুচাঁদ ঠাকুর সভাপতির ভাষণে প্রথমেই জানান-                “তাই বলি সভাজন          সবে হয়ে এক মন                                  নমঃশূদ্র জাতি কথা শুন মন দিয়া।                         -----------------------------------------                       ...

ব্রাহ্মণ্যবাদীদের চক্রান্তে, স্বজাতি নাস্তিকদের দ্বারা হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের বদনাম। লেখক- জগদীশচন্দ্র রায় (মুম্বাই)

ব্রাহ্মণ্যবাদীদের চক্রান্তে, স্বজাতি নাস্তিকদের দ্বারা হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের বদনাম লেখক- জগদীশচন্দ্র রায়       উপরের হেড লাইনটা দেখে চম্‌কে গেলেন নাকি? হ্যাঁ বিগত বেশ কিছু দিন ধরে তথাকথিত নাস্তিকরা তাঁদের নাস্তিকতার যুক্তি দিয়ে তুলে ধরছেন অনেক সম্ভার। যেগুলো সরাসরি কবি তারক সরকারের বিরুদ্ধে এবং মতুয়া অন্ধভক্তদের বিরুদ্ধে হলেও প্রকারন্তে সেই আঘাতটা গিয়ে পড়ছে হরি-গুরুচাঁদ ঠাকুরের উপর। কেউ বই লিখে দেখাচ্ছেন, যে হরিচাঁদ ঠাকুর নিজেই তাঁকে নিয়ে লিখতে মানা করেছিলেন। অতএব কবি তারক সরকারের লেখা “শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত” পড়া উচিত নয়। আবার কেউ লিখছেন, হরিচাঁদ ঠাকুর যদি ভগবান হন, তাহলে তিনি মানুষের বিভিন্ন দুঃখ-দুর্দশাকে মুক্ত করেননি কেন? কত মতুয়াইতো মতুয়া হয়েও অনাহারে মৃত্যু বরণ করেছে। কেন? তাহলে তিনি কেমন ভগবান? তাঁকেতো আবার অবতার টবতার কি সব নাম দিয়ে লোকে মাথায় নিয়ে নাচা নাচি করছে। আবার ভাবের ঘোরে গড়াগড়ি দিচ্ছে। ইত্যাদি ইত্যাদি। এই নাস্তিকদের সব কথার যুক্তি সংগত উত্তর হয়তঃ আমি দিতে পারব না। আর দিলেও তাঁদের মতপুত হবে বলে আশা করি না। আর আমি ব্যক্তিগতভাবে কী সেটার...